Home / Health Tips / না খেয়েও এই ৫টি সাধারন কারণে ওজন বেড়ে যায়, সতর্ক হন

না খেয়েও এই ৫টি সাধারন কারণে ওজন বেড়ে যায়, সতর্ক হন

ওজন কমাতে আধপেটা খেয়ে থাকেন অনেকেই। আবার একদম না খেয়েই কেউ কাজে-কর্মে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময় না খাওয়ায় মেজাজটাও খিটখিটে হয়ে যায়। কাজে-কর্মেও গতি কমে আসে। সত্যি বলতে কী, পেট ভরে খেয়েও কিন্তু ওজন কমানো যায়। তবে খাবারটা খেতে হবে হিসাব করে, ক্যালরি মেপে।

আর যদি লোভে পড়ে খানিকটা মসলাদার খাবার পেটে চালানই হয়ে যায়, তারও বন্দোবস্ত আছে। আবার আপনি ওজন কমানোর খাবার খাচ্ছেন না,কিন্তু তারপরেও আপনার শরীরের ওজন বাড়বে যেনে কিভাবে….

১. কৃত্রিম উপাদান : জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় বলা হয়, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত নানা কৃত্রিম উপাদান বিপাক ক্রিয়ায় ঝামেলা শুরু করে। এসব উপাদানে ব্যবহৃত নানা রাসায়নিক পদার্থ দেহে প্রদাহজনিক কারণ ছাড়াও স্থূল করে দিতে পারে দেহটাকে। করণীয়: কাজেই কৃত্রিম রং ও উপাদানমিশ্রিত খাবার থেকে দূরে থাকুন। আর যা খাবেন তা পরিষ্কার করে নিন।

২. কাজের সময় পরিবর্তন : কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়, হঠাৎ করে নিয়মিত কাজের সময়সূচি বদলে গেলে ওজন বাড়তে পারে। যাঁরা রাতে কাজ করেন, তাঁদের কম ক্যালোরি খরচ হয়। এ ক্ষেত্রে বিপাক ক্রিয়াতেও সমস্যা ঘটে। করণীয়: যদি রাতে কাজ করেন বা বিভিন্ন টাইম জোনে গিয়ে কাজ করতে হয়, তবে উচ্চ পুষ্টিমানসম্পন্ন খাবার খান।

৩. ওজন নিয়ে অন্যের কটাক্ষ : ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষকরা জানান, যাঁরা স্বাস্থ্য নিয়ে অন্যের কৌতুকের শিকার হন, তাঁদের ওজন আরো বাড়তে থাকে। যেসব নারী প্রিয়জনের কাছ থেকে তাঁর ওজন নিয়ে কটু কথা শোনেন, তাঁদের দেহে আরো কিছু ওজন যোগ হয়। এসব মন্তব্যের কারণে স্ট্রেস বাড়ে যা স্থূলতার জন্য দায়ী হতে পারে। করণীয় : অন্যের কথায় সব সময় কান না দেওয়া হয়তো সম্ভব নয়। ‘জার্নাল অব ওবেসিটি’তে বলা হয়, অন্যের রসিকতা থেকে বাঁচতে হালকা মেডিটেশন করতে পারেন। সেই সঙ্গে স্ট্রেস না বাড়িয়ে ওজন কমাতে সহায়ক খাদ্যতালিকা বেছে নিন।

৪. পরিবেশগত রাসায়নিক পদার্থ :  প্রতিনিয়ত পরিবেশ থেকে যেসব ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ দেহে প্রবেশ করছে তা বিপাক ক্রিয়াসহ লিভারে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বলে জানান ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ারের গবেষকরা। এর প্রভাবে ইনসুলিন ক্ষরণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না দেহ। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং ওজনও বাড়তে পারে। করণীয় : এসব রাসায়নিক উপাদান থেকে দূরে থাকা সম্ভব নয়। তবে কমিয়ে আনতে পারেন। প্রসাধনসামগ্রি বা অন্যান্য যেসব জিনিস ব্যবহার করছেন, তা প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি দেখে ক্রয় করুন। ব্যবহার্য জিনিস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।

৫. জেনেটিক কারণ : এটা স্বাভাবিক যে বংশগত কারণে ওজন বেশি বা কম হতে পারে। অন্ত্রে খাবার হজমে সহায়ক ব্যাকটেরিয়া জন্মের বিষয়টিতে জিনের প্রভাব থাকে। এসব ব্যাকটেরিয়া দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিংস কলেজ লন্ডনের গবেষকরা দেখেছেন, অন্ত্রের বিশেষ এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার ওপর জেনেটিক প্রভাব প্রবল। এই ব্যাকটেরিয়া ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। করণীয় : জিন বদলে ফেলতে পারবেন না আপনি। অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বেশি পরিমাণ জন্মাতে কি করা যায় তা নিয়ে নিয়মিত গবেষণা চলছে। সাবধান থাকতে হলে, প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং উদ্ভিজ্জ খাবার খান। উৎস: ফক্স নিউজ

About admin

Check Also

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে খেতে পারেন তরমুজ

নিউজ ডেস্ক।। বাজারে এরই মধ্যে উঠতে শুরু করেছে গরমের ফল। এই সময়ের ফলের মধ্যে তরমুজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *